শনিবার ● ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রথম পাতা » ঢাকা » বিচারবিভাগের সচিবালয় গুটিয়ে আনা ভালো বার্তা দিচ্ছেনা
বিচারবিভাগের সচিবালয় গুটিয়ে আনা ভালো বার্তা দিচ্ছেনা
আজ সকালে গণতান্ত্রিক আইনজীবী সংহতির আলোচনা সভায় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপমুক্ত বিচারব্যবস্থা গড়ে তোলার যে সুযোগ তৈরী হয়েছে তাকে কাজে লাগাতে হবে এবং তার জন্য সমগ্র বিচারব্যবস্থার গণতান্ত্রিক
সংস্কার নিশ্চিত করতে হবে। নির্বাহী বিভাগের সাথে বিচারবিভাগ ও পার্লামেন্টের ভারসাম্যমূলক সম্পর্ক বিধান করতে হবে।
তিনি বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার বিএনপিসহ রাজনৈতিক বিরোধীদের দমনে বিচারবিভাগকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিল।সেই লক্ষ্যে তারা ” শপথবদ্ধ রাজনীতিক”দেরকে বিচারক হিসাবে নিয়োগ দিয়েছিল।তিনি বলেন, আমরা এরকম কাউকে আর বিচারবিভাগের দেখতে চাইনা । বিচারবিভাগ নিয়ন্ত্রণের কোন তৎপরতাও দেশের মানুষ আর দেখতে চাইবেনা। সমাজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিচারবিভাগের কার্যকর নিরপেক্ষতার বিধান চালু করতে হবে।তিনি বলেন, মবের শাসনের পরিবর্তে আইনের শাসনে ফিরে যেতে হবে।তিনি বলেন, নির্বাচিত সরকার কোনভাবেই মবতন্ত্রের কাছে জিম্মি হতে পারেনা।
তিনি উল্লেখ করেন, বিচারবিভাগের উপর আস্থা নষ্ট হলে সামজিক নৈরাজ্য ছড়িয়ে পড়তে পারে।তিনি বলেন, গেল ১৭ বছর বিএনপি যে ধরনের বিচারব্যবস্থা দেখতে চেয়েছে এখন উচিৎ হবে সে ধরনের স্বাধীন বিচারব্যবস্থা গড়ে তোলা।
আজ সকালে সেগুনবাগিচায় রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর - রুনি মিলনায়তনে ” ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের আকাংখ্যা ও বিচারবিভাগের কাংখিত সংস্কার’ শীর্ষক আলোচনায় প্রধান অতিথি হিসাবে তিনি উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন।
আলোচনা সভার বিশেষ অতিথি গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বলেন, এতবছর বিএনপিসহ আমরা সবাই মিলে যে শক্তিশক্তি ও নিরপেক্ষ বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছি মনে হচ্ছে তা ইতিমধ্যে হোচট খেতে শুরু করেছে। বিচারবিভাগের সচিবালয় গুটিয়ে ফেলার উদ্যোগ রাজনীতিতে ভালো বার্তা দিচ্ছেনা।সরকার সমর্থকেরা সব যদি আবার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে যেতে চান তাহলে জনপ্রত্যাশা আবার মার খাবে।তিনি বারের নির্বাচনসমূহ যেভাবে একতরফা ভাবে চলছে তা আবার পুরানো জমানাকে মনে করিয়ে দিচ্ছে।
তিনি সবাইকে ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেবার আহবান জানান।
গণতান্ত্রিক আইনজীবী সংহতির আহবায়ক এডভোকেট মাহবুবুল করিম টিপুর সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সদস্যসচিব এডভোকেট সুমন মিয়ার সঞ্চালনায়
এই আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন এডভোকেট অনুরুদ্ধ সরকার, এডভোকেট পিয়াস মজুমদার, মীর রেজাউল আলম প্রমুখ।
সভার শুরুতে জুলাই শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নিরবতা পালন করা হয়।




জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কেউ কেউ বাণিজ্যে পরিনত করেছে, কোটারী আর গোষ্ঠীগত স্বার্থে ব্যবহার করেছেন
সাভারে এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলায় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নিন্দা
শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শোক
ইসলামি ব্যাংকের পরিস্থিতি ব্যাংকিং খাতকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে
গণভোটের রায় ও সংস্কারের প্রশ্নে সরকার নিজেদের অর্জনকে বিরোধীদের হাতে তুলে দিচ্ছে
হামজনীত এই মৃত্যুর সাথে কোন ভাইরাসের সম্পর্ক আছে কিনা খতিয়ে দেখা দরকার
নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রায় বিচারব্যবস্থাকে রাজনৈতিক বিরোধীদের দমনে ব্যবহার করা যাবেনা
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন ভারতের নির্বাচনী গণতন্ত্রের বিশ্বাসযোগ্যতা তলানিতে নিয়ে গেছে
জানমালের নিরাপত্তা বিধানে অপরাধের সিন্ডিকেটসমূহ ভেংগে দিতে হবে 