শনিবার ● ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রথম পাতা » ঝালকাঠি » সারাদেশের সঙ্গে ঝালকাঠিতেও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অর্থ প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন
সারাদেশের সঙ্গে ঝালকাঠিতেও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অর্থ প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন
গাজী গিয়াস উদ্দিন বশির ঝালকাঠি :: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে দেশের অবসরপ্রাপ্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধার অর্থ বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন।
এরই অংশ হিসেবে সারাদেশের সঙ্গে ঝালকাঠিতেও EFT ও iBAS+ ব্যবস্থার মাধ্যমে অবসরপ্রাপ্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধার অর্থ প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে শনিবার ১৫ আগস্ট সকাল ১১টায় ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।
অনুষ্ঠানে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. কাওছার হোসেন, জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. শাহাদাৎ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম বায়েজিদ ইবনে আকবর, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) বশির গাজী, ঝালকাঠি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেগুফতা মেহনাজ, ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. আককাস সিকদার এবং জেলা শিক্ষা অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আবু সাঈদ।
জানা যায়, সরকারের এ উদ্যোগের আওতায় অবসর সুবিধা বোর্ডের ৭০ হাজার ১১৯টি এবং কল্যাণ ট্রাস্টের ৫৩ হাজার ২০১টি আবেদনের বিপরীতে অর্থ প্রদান করা হবে। এ অর্থ পরিশোধে সরকার এককালীন ২ হাজার ৩৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা বরাদ্দ করেছে। এর মধ্যে অবসর সুবিধা বোর্ডের জন্য ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা এবং কল্যাণ ট্রাস্টের জন্য ৪৮৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
EFT ও iBAS++ ব্যবস্থার মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করে সরাসরি সুবিধাভোগীদের ব্যাংক হিসাবে অর্থ পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালের সুযোগ থাকবে না।
উল্লেখ্য, ২০২২ সাল থেকে অবসর নেওয়া অনেক শিক্ষক-কর্মচারী অবসর ও কল্যাণ সুবিধার অর্থ না পেয়ে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় ছিলেন। দীর্ঘদিনের এই বকেয়া পরিশোধের অংশ হিসেবে ১৫ আগস্ট দেশব্যাপী অর্থ প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
ঝালকাঠিতে জেল থেকে পালানো সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার
ঝালকাঠি :: প্রায় দুই বছর আগে ঝালকাঠি জেলা কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে নলছিটি থানা পুলিশ।
শুক্রবার ১৪ আগস্ট রাতে নলছিটি উপজেলার সিদ্ধকাঠি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া মনির হাওলাদার (হাসান)। তিনি নলছিটি উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের ফুলহরি গ্রামের মৃত জৈনদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ সূত্র জানা গেছে,২০১৫ সালের একটি জিআর-১৪ (ঝালঃ) মামলায় আদালত মনির হাওলাদারকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন। সাজা ভোগের সময় প্রায় দুই বছর আগে তিনি ঝালকাঠি জেলা কারাগার থেকে পালিয়ে যান। এরপর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকরের অংশ হিসেবে শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জামান সোহাগ বলেন, জেল থেকে পালিয়ে থাকা সাজাপ্রাপ্ত ও পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. মনির হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
নিষিদ্ধ পলিথিন বন্ধে ঝালকাঠিতে সচেতনতামূলক সভা
ঝালকাঠি ::নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন শপিং ব্যাগের ব্যবহার বন্ধে জনসচেতনতা বাড়াতে ঝালকাঠিতে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ১১ টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয়ের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. বশির গাজীর সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আনজুমান নেছা, বিভিন্ন দোকান মালিক, ব্যবসায়ী, মাছ বিক্রেতা, বাজার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় নিষিদ্ধ পলিথিন শপিং ব্যাগের ক্ষতিকর প্রভাব, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব এবং পলিথিনের ব্যবহার বন্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি পলিথিনের বিকল্প হিসেবে পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ব্যবহারে জনগণকে উৎসাহিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বক্তারা বলেন, পলিথিন ব্যবহারের কারণে জলাবদ্ধতা, মাটি ও পানি দূষণসহ পরিবেশের নানা ক্ষতি হচ্ছে। তাই শুধু আইন প্রয়োগ নয়, পলিথিনের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করে তোলাও জরুরি। নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার বন্ধে ব্যবসায়ী ও ভোক্তা উভয় পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়।




