মঙ্গলবার ● ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১
প্রথম পাতা » জাতীয় » ভোটারদের অনাগ্রহ বিদ্যমান নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি অনাস্থা
ভোটারদের অনাগ্রহ বিদ্যমান নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি অনাস্থা
ঢাকা :: বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক আজ গণমাধ্যমে প্রদত্ত এক বিবৃতিতে ক্ষোভের সাথে বলেছেন, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার যে ধারা চালু হয়েছে তাতে আগামীতে হয়তো আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন নামক তামাশা আয়োজনেরও আর প্রয়োজন হবে না। রাজনৈতিক দল,নির্বাচনে অংশগ্রহনে ইচ্ছুক প্রার্থী ও ভোটারদের মধ্যে যে অনাগ্রহ তা এই একতরফা নির্বাচনের প্রতি দেশের মানুষের গভীর অনাস্থা ও অবিশ্বাসেরই বহিঃপ্রকাশ। বাস্তবে ভোটারেরা সরকার, সরকারি দল ও অকার্যকর নির্বাচন কমিশনের এই নির্বাচনী প্রহসনের প্রতি তাদের গণঅনাস্থা ও গণহতাশা নানাভাবেই জানিয়ে দিয়েছে।তিনি বলেন, সদ্য সমাপ্ত ১৬০ টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে ৪৪ জন যদি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন, আর বিজয়ী ঘোষিত প্রায় সকল প্রার্থী যদি সরকার দলীয় হন তাহলে তাকে নির্বাচন বলার সুযোগ আছে কিনা দেশের মানুষের কাছে তাও এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। দুঃখজনক হচ্ছে সরকার ও সরকারি দল এই গণঅনাস্থার অর্থ বুঝতে পুরোপুরি অক্ষম।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও জাতীয় সংসদের উপনির্বাচনের নামে যে একতরফা কারবার চলছে বাস্তবে তা রাষ্ট্রীয় অর্থ ও সময়ের অপ্রয়োজনীয় অপচয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।তিনি বলেন,নির্বাচনী আয়োজনের চেয়ে এখন সরকারি দলের নমিনেশন পাওয়াটাই গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি দলের প্রার্থী মানেই পাশ।এ কারণে সরকারি দলের ভোটারেরাও আর কেন্দ্রে যেয়ে ভোট দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন না।তারাও জানেন যে,তারা কেন্দ্রে না গেলেও তাদের দলীয় প্রার্থীরাই বিজয়ী ঘোষিত হবেন।
তিনি বলেন, আর বিদ্যমান স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সাথে প্রকৃতপ্রস্তাবে শক্তিশালী, গনতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা গড়ে তোলার কোন সম্পর্ক নেই।
বিবৃতিতে তিনি নির্বাচনের নামে একতরফা, ও তামাশাপূ্র্ণ এসব আয়োজনের বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান। একই তিনি ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাজপথে গণসংগ্রাম জোরদার করতেও দেশবাসীর প্রতি আহবান জানান।




বিএনপি চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সহ নতুন গঠিত সরকারের সকল সংসদ সদস্যদের পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের অভিনন্দন
স্বৈরতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে বেগম খালেদা জিয়া অনুপ্রেরণার উৎস হিসাবে ভূমিকা পালন করেছেন
প্রার্থী, ভোটার ও ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে
এই সরকারও আওয়ামী লীগ সরকারের আদানি চুক্তির মত একই পথে হাঁটছে
অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ৩১ দফা প্রস্তাবনা পেশ
রোড়ম্যাপ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই নির্বাচন কমিশনকে ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনের ব্যাপারে জনআস্থা অর্জন করতে হবে
গণঅভ্যুত্থানের অর্জন ধরে রাখতে সকল বৈষম্যের বিলোপ ঘটাতে হবে
পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন
বাজেটে অমানবিক বৈষম্য বিলোপে দৃশ্যমান কোন উদ্যোগ নেই
নারীর অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে সাংবিধানিক সুরক্ষার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে 