শুক্রবার ● ২৫ জুন ২০২১
প্রথম পাতা » জাতীয় » জাতীয় পরিচয়পত্র নির্বাচন কমিশন থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সরিয়ে নেবার তৎপরতা রাজনৈতিক সংকট আরো বাড়িয়ে তুলবে
জাতীয় পরিচয়পত্র নির্বাচন কমিশন থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সরিয়ে নেবার তৎপরতা রাজনৈতিক সংকট আরো বাড়িয়ে তুলবে
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি :: বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের পক্ষ থেকে আজ গণমাধ্যমে প্রদত্ত এক বিবৃতিতে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নির্বাচন কমিশন থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণারয়ে সরিয়ে নেবার তৎপরতায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয় এবং বলা হয় এই সিদ্ধান্ত কার্যকরি হলে রাজনৈতিক সংকট আরও বৃদ্ধি পাবে। আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে জাতীয় পরিচয়পত্রের ব্যবস্থাপনা সরকারের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে আনা হচ্ছে কিনা ইতিমধ্যে এটা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, আগামী নির্বাচনকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যেই যে এরকম সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে তা বিশ^াস করার সমূহ কারণ রয়েছে। জনগণের কাছে সরকারের বিশ^াসযোগ্যতা যেখানে তলানীতে সেখানে এরকম সিদ্ধান্ত দেশের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। সরকারের এই তৎপরতা রাজনীতিতে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক, অবিশ^াস ও অনাস্থার জন্ম দেবে।
রাজনৈতিক পরিষদের বিবৃতিতে বলা হয়, এনআইডি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিয়ে এলে দেশের মানুষ নানাভাবে পুলিশী দৌরাত্ম ও হয়রানির শিকার হবে। সেক্ষেত্রে পুলিশের এনআইডি বাণিজ্যও বেড়ে যাবার আশঙ্কা রয়েছে। এতে কেবল গণদুর্ভোগই বৃদ্ধি পাবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ছবিসহ ডিজিটাল ভোটার তালিকার ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগে জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরী করা হয়, জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে ছোটখাট অনেক অভিযোগ থাকলেও এটা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে গুরুতর অনাস্থা বা অভিযোগ নেই। এনআইডি সংক্রান্ত যে সকল সমস্যা ও অভিযোগ রয়েছে নির্বাচন কমিশনের জনবল ও দক্ষতা বাড়িয়ে তার সমাধান করা যেতে পারে। বিবৃতিতে বলা হয় অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনের শোচনীয় ব্যর্থতা এবং প্রকারান্তরে সরকারি দলের পক্ষে ভূমিকা পালন করতে যেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বংস করার বিষয়ে বিদ্যমান নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে গভীর অনাস্থা রয়েছে সত্য, কিন্তু এই প্রেক্ষিতে এনআইডি কমিশনের কাছ থেকে সরিয়ে নেবার কোন যুক্তি নেই। বিবৃতিতে সরকারকে এনআইডি সরিয়ে নেবার তৎপরতা বন্ধের দাবি জানানো হয়।




স্বাধীন দেশেও গণতন্ত্রের জন্য লড়তে লড়তে ৫৫ বছর পার হয়ে গেল
বিএনপি চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সহ নতুন গঠিত সরকারের সকল সংসদ সদস্যদের পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের অভিনন্দন
স্বৈরতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে বেগম খালেদা জিয়া অনুপ্রেরণার উৎস হিসাবে ভূমিকা পালন করেছেন
প্রার্থী, ভোটার ও ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে
এই সরকারও আওয়ামী লীগ সরকারের আদানি চুক্তির মত একই পথে হাঁটছে
অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ৩১ দফা প্রস্তাবনা পেশ
রোড়ম্যাপ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই নির্বাচন কমিশনকে ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনের ব্যাপারে জনআস্থা অর্জন করতে হবে
গণঅভ্যুত্থানের অর্জন ধরে রাখতে সকল বৈষম্যের বিলোপ ঘটাতে হবে
পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন
বাজেটে অমানবিক বৈষম্য বিলোপে দৃশ্যমান কোন উদ্যোগ নেই 