শুক্রবার ● ২২ মে ২০২৬
প্রথম পাতা » ঢাকা » গণভোটের রায় ও সংস্কারের প্রশ্নে সরকার নিজেদের অর্জনকে বিরোধীদের হাতে তুলে দিচ্ছে
গণভোটের রায় ও সংস্কারের প্রশ্নে সরকার নিজেদের অর্জনকে বিরোধীদের হাতে তুলে দিচ্ছে
আজ শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র পরিষদের উদ্যোগে ‘বিএনপি সরকারের তিনমাস - প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি ‘ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, একটি দায়বদ্ধ নির্বাচিত সরকারের আমলে সামাজিক নৈরাজ্যকে কোনভাবে প্রশ্রয় দেয়া যাবেনা।শিশু রামিসাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় শিশু ধর্ষণ, নৃশংস হত্যাকান্ড ও মব সন্ত্রাসের যে গণআতংক তৈরী হয়েছে কোনভাবেই তা বরদাস্ত করার সুযোগ নেই।সরকারের প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে মানুষের জানমাল ও ইজ্জতের হেফাজত করা।সরকার এই দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হলে উন্নয়নে সরকারের ভালো উদ্যোগও আখেরে মানুষ মূল্যায়ন করবেনা। তিনি বলেন, ধর্ষক, হত্যাকারী ও দূর্বৃত্তদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা দিয়ে বিবেচনা করা যাবেনা।
তিনি বলেন, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুরক্ষার দিক থেকে সরকার এই তিনমাসে কিছু স্কোর জমা করলেও রাজনৈতিক দিক থেকে সরকার নিজেদের পুঁজি খরছ করে ফেলছে; গণভোটসহ সংস্কারের প্রশ্নে নিজেদের অর্জনকে বিরোধীদের হাতে তুলে দিচ্ছে।
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র পরিষষদের আহবায়ক শেখ আবদুন নূরের সভাপতিত্বে ও সংগঠনের সদস্যসচিব বাবর চৌধুরীর সঞ্চালনায় জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় দৈনিক কালের কন্ঠের সম্পাদক ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ বলেন, মানুষের মূল্যবোধ যেভাবে পচে যাচ্ছে তা প্রতিরোধে আত্মশক্তির উদ্বোধন ঘটিয়ে সামাজিক প্রতিবাদ - প্রতিরোধ জোরদার করতে হবে। গণতন্ত্রের অর্জন ধরে রাখতে পরমত সহিষ্ণুতার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।সরকারকে জনগণের ভাষা বুঝতে হবে, দেয়ালের লেখা পড়তে হবে।
গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডির সিনিয়র অর্থনীতিবিদ ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন গোটা সংস্কার উদ্যোগে বড় দূর্বলতা হচ্ছে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার সংস্কার না করা।সে কারনে অধিকাংশ ক্ষেত্রে জনগণ তাদের প্রকৃত প্রতিনিধি নির্বাচিত করতে পারছেনা।
তিনি বলেন, অর্থনৈতিক দিক থেকে সরকারের ভালো পারফর্মেন্স দৃশ্যমান নয়।অর্থনৈতিক সূচক ভালো নয়।বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ ইতিহাসের সর্বনিম্ন, মাত্র ৫ শতাংশ। দেশে দারিদ্র্য বাড়ছে, মানুষ কাজ হারাচ্ছে। রাজস্ব আয় বাড়ছেনা।তিনি করের আওতা বৃদ্ধি করার পরামর্শ দেন। তিনি সম্পদ ও উত্তরাধিকার কর ধার্যের আহবান জানান। তিনি ফী বছর এপ্রিলে বাজেট দেয়ার কথা বলেন, যাতে পর্যাপ্ত আলোচনা করে বাজেট গ্রহণ করা যায়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড.সাব্বির আহমেদ বলেন, সামাজিক বৈষম্য বিলোপে অগ্রগতি দেখা যাচ্ছেনা। নতুন সরকারের প্রথম যাত্রায় ইতিবাচক মানসিকতা দেখা যাচ্ছে।শুরুতেই সরকার প্রান্তিক জনগণের কল্যাণে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ কিছু রাজনৈতিক সংস্কার দিয়ে সরকার তার যাত্রা শুরু করতে পারতো। তিনি বলেন, ভারতের সাথে মর্যাদার ভিত্তিতে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা জরুরী।যুক্তরাষ্ট্রের সাথে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তি জাতীয় সংসদে আলোচনা করা দরকার ছিল।তিনি বলেন, সশস্ত্র বাহিনী যেসব প্রিভিলেস পাচ্ছে তার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকা দরকা
মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আমিরুল মোমেনিন মানিক বলেন, ধর্ম বা সংস্কৃতির ভিত্তিতে আমরা সমাজকে আর ভাগ না করি।তিনি বলেন ঔপনিবেশিক প্রশাসনিক কাঠামো এখনও বিদ্যমান। তিনি ব’লেন সংস্কার না হলে সবারই বিপদ।তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক উত্তরণে আমাদেরকে জনগণের উপরই নির্ভর করতে হবে।
সভার সভাপতি শেখ আবদুন নূর বলেন, পরিবর্তনের ব্যাপারে তিনমাসে সরকারের সদিচ্ছা লক্ষ করা গেছে ; তবে তা যথেষ্ট নয়। অনেক ক্ষেত্রেই সরকার জন প্রত্যাশা অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে পারছেনা। তিনি বলেন, এই সরকারকে অবশ্যই জনপ্রত্যাশা পূরণে দৃঢ পদক্ষেপ নিতে হবে।সরকারের ব্যর্থ হবার কোন সুযোগ নেই।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন দৈনিক অগ্নিশিখার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহফুজুর রহমান খান, ক্রিশ্চিয়ান এসোশিয়েশনের সভাপতি নির্মল রোজারিও, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র পরিষদের সদস্য মাসুদুর রহমান মল্লিক প্রমুখ।




হামজনীত এই মৃত্যুর সাথে কোন ভাইরাসের সম্পর্ক আছে কিনা খতিয়ে দেখা দরকার
নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রায় বিচারব্যবস্থাকে রাজনৈতিক বিরোধীদের দমনে ব্যবহার করা যাবেনা
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন ভারতের নির্বাচনী গণতন্ত্রের বিশ্বাসযোগ্যতা তলানিতে নিয়ে গেছে
জানমালের নিরাপত্তা বিধানে অপরাধের সিন্ডিকেটসমূহ ভেংগে দিতে হবে
যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের থেকে বিএনপি দূরে সরে যাচ্ছে সাইফুল হক, তিন মাসেই অবিশ্বাস করবেন না : জয়নুল আবদীন ফারুক
শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি পূরণে বিশ্বাসযোগ্য পদক্ষেপ নিন
স্বাধীন রাজনৈতিক শ্রেণী হিসাবেই শ্রমিকশ্রেণীকে ঘুরে দাঁড়াতে হবে : বহ্নিশিখা জামালী
জ্বালানি খাতে চুরি, দূর্নীতি, লুটপাট ও অব্যবস্থাপনা বন্ধ করতে পারলে দাম বৃদ্ধি প্রয়োজন হবেনা
সরকারের দুই মাসের মাথায় অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে মানুষের প্রত্যাশার পারদ কিছুটা নামতে শুরু করেছে 