বৃহস্পতিবার ● ৪ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রথম পাতা » ঢাকা » সরকার ও নির্বাচন কমিশনকেই নির্বাচনের গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে
সরকার ও নির্বাচন কমিশনকেই নির্বাচনের গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে
আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের তয় তলায় আব্দুস সালাম হলে গণতন্ত্র মঞ্চের উদ্যোগে “বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নির্বাচন ও গণতন্ত্রের সংগ্রাম শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভার শুরুতেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি’র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনা করা হয় এবং দেশের মানুষের কাছে দোয়া প্রার্থনা করা হয়।
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল - জেএসডি’র সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপনের সভাপতিত্বে এই সভায় বক্তব্য রাখেন, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারি জোনায়েদ সাকি, ভাসানি জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু।
আলোচনা সভায় মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থায় আগামী ফেব্রুয়ারী যে জাতীয় নির্বাচন হবে তাতে কারো সন্দেহ নেই। এই নির্বাচনে আমরা বিএনপি’র সাথে যুগপৎ ধারায় আসন সয়ঝোতা করে প্রতিদ্বন্ধিতা করবো। যদিও বিএনপির সাথে এখনো আমাদের এই ব্যাপারে চুড়ান্ত কোন আলোচনা হয়নি। তবে আসন সমঝোতা নিয়ে বিএনপি’র চুড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর আমরা মঞ্চগত ভাবে সিদ্ধান্ত নিবো নির্বাচন তাদের সাথে করবো, নাকি আমরা মঞ্চগতভাবে করবো? তবে আমাদের ৩ শ আসনে নির্বাচন করার প্রার্থী প্রস্তুত করা আছে। এই সময়ে তিনি মঞ্চের সাথে কোন রকম আলোচনা ছাড়া বিএনপির একক ভাবে প্রার্থী ঘোষণা করারও সমালোচনা করেন।
সাইফুল হক বলেন, একটি বিশেষ দল ও গোষ্ঠি নির্বাচনকে প্রলম্বিত করতে, বানচাল করতে নানামুখী তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা না করে বেশীরভাগ দলগুলোর মতামত উপেক্ষা করে আরপিও সংশোধন করে গ্যাজেট প্রকাশ করেছে।এটা বিশেষ কোন দলকে বাড়তি সুবিধা দেওয়ার জন্যই করা হয়েছে কিনা সেই প্রশ্ন উঠেছে । সরকারও এখনো পর্যন্ত নিরপেক্ষতার প্রমাণ দিতে পারেনি। সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটা বোঝাপড়া থাকা দরকার। তা না হলে আগামী নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে। আগামী নির্বাচন যদি প্রশ্নবিদ্ধ হয় তাহলে দেশ ও দেশের রাজনীতিতে নতুন সংকট তৈরীর হবে।
তিনি আরো বলেন, জামায়াত ইসলাম সহ অন্যান্য দল যখন তাদের বন্ধু ও মিত্র বাড়াতে খুলনার কৃষ্ণপদ পর্যন্ত চলে গেছে, বিএনপি তখন তার যুগপৎ আন্দোলনের মিত্রদের সাথে অপ্রয়োজনীয় মনস্তাত্ত্বিক দুরত্ব তৈরীর করছে। এভাবে চলতে থাকলে এই মনস্তাত্ত্বিক দুরত্ব একসময়ে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে রাজনৈতিক দুরত্বে পর্যবসিত হতে পারে। এটা সমিচীন হবেনা।
জোনায়েদ সাকি বলেন, দেশের এই পরিস্থিতিতে দ্রুত একটা অবাধ সুষ্ঠ নির্বাচন ছাড়া সমাধান হবে না। নির্বাচনের গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকার ও নির্বাচন কমিশনের । বিএনপির সাথে আমাদের আসন সমঝোতা যাই হোক আমাদের নিজেদের মত ,নিজেদের শক্তির উপর দাঁড়িয়েই নির্বাচনের প্রস্তূতি গ্রহণ করতে হবে। আমরা আমাদের ৩শ আসনের প্রার্থী ঘোষণা করবো।
শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে জামায়াত ইসলাম ব্যাপক অপতৎপরতা চালাচ্ছে। তারা মুক্তিযোদ্ধাদের বাংলাদেশকে রাজাকারদের বাংলাদেশ বানাতে চায়। গণতন্ত্র মঞ্চ এবং মুক্তিযোদ্ধারা বেঁচে থাকতে তাদের এই অপতৎপরতা, স্বাধীনতা বিরোধী, দেশ বিরোধী কর্মকান্ড কখনো বাস্তবায়িত করতে দেওয়া হবে না।
সভাপতির বক্তব্যে শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর দেশ এখন একটি দক্ষিণপন্থি এবং নতুন করে নব্য লুটপাটকারিদের দখলে চলে গেছে। তারা দেশে স্থিতিশীলতা চায় না, নির্বাচন চায় না। বিএনপিও গণতন্ত্র মঞ্চের সাথে যুগপৎতের শরীক হিসাবে অভ্যুত্থানের পূর্বের অবস্থান থেকে সরে যাচ্ছেনা সেই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে ।
তিনি যে কোন পরিস্থিতি গণতন্ত্র মঞ্চকে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবেলা করার আহ্বান জানান।
সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সার, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আকবর খান, ভাসানি জনশক্তি পার্টির মহাসচিব ডঃ আবু ইউসুফ সেলিম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল - জেএসডির সহ-সভাপতি তৌহিদ হোসেন, গণসংহতি আন্দোলনের সম্পাদকমন্ডলী সদস্য বাচ্চু ভূইয়া। সভাটি পরিচালনা করেন জেএসডির সহদপ্তর সম্পাদক ফারহান হাবীব ।




সরকারের দুই মাসের মাথায় অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে মানুষের প্রত্যাশার পারদ কিছুটা নামতে শুরু করেছে
অবিলম্বে মাজারে সংগঠিত সকল সহিংসতা ও হত্যাকান্ডের দৃষ্টান্তমুলক বিচার করুন
গণভোটের রায় বাস্তবায়নে বিএনপি সরকারের রাজনৈতিক ও নৈতিক দায় রয়েছে
নির্বাচিত সরকারের আমলে বাউলদের উপর হামলা আক্রমণ চরম ঔদ্ধত্বের বহিঃপ্রকাশ
ইরানের মত একটি স্বাধীন দেশে মার্কিন- ইজরায়েলী ভয়ংকর সামরিক অভিযান আন্তর্জাতিক বিধিবিধানের গুরুতর লংঘন
নারীর ক্ষমতায়নের প্রতীক হিসাবে কমপক্ষে তিনটি মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নারীদের উপর অর্পণ করুন
কোন অপরাধীকে রাজনৈতিক পরিচয় দিয়ে বিবেচনা করা যাবেনা
ইরানের মত একটি স্বাধীন দেশে মার্কিন- ইজরায়েলী ভয়ংকর সামরিক অভিযান আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধের সামিল
সময় ও পরিস্থিতি তারেক রহমানের উপর দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের ঐতিহাসিক দায়িত্ব অর্পণ করেছে
সংসদ সদস্যদের শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট না নেওয়ার সিদ্ধান্ত ইতিবাচক উদাহরণ 